বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ রাব্বির ৫ দিন পর মৃত্যু প্রকাশিত: ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৮, ২০২৬ চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাকরোড এলাকায় আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ দুই শিশুর মধ্যে মো. রাব্বি (৪) মারা গেছে। দুর্ঘটনার পাঁচ দিন পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অপর দগ্ধ শিশু ফাইজা আক্তার (৬) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। রাব্বির খালা ইয়াছমিন আক্তার জানান, ভোর ৪টার দিকে রাব্বির মৃত্যুর খবর পান তিনি। বিকেলে শিশুটির মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হবে। এর আগে গত ৩ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকে চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাকরোড এলাকার আরএস টাওয়ারের পঞ্চম তলার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের বারান্দায় খেলছিল রাব্বি ও ফাইজা। এ সময় তারা ৩৩ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সংস্পর্শে এসে দগ্ধ হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুজনকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসিবুল হাসান জানান, তিনি নিজেই দগ্ধ দুই শিশুর চিকিৎসা করেছিলেন। ফাইজার শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ এবং রাব্বির প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। রাব্বির অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। নিহত রাব্বি ও ফাইজা খালাতো ভাই-বোন। ঘটনার দিন তারা মায়ের সঙ্গে চাঁদপুর শহরের ওই বাসায় বেড়াতে এসেছিল। তাদের বাড়ি পাশের লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলায়। ঘটনার পর আরএস টাওয়ারের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। শিশুদের খালা ইয়াছমিন গত আড়াই বছর ধরে ওই ভবনের একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। তার স্বামী সোহেল দেওয়ান সৌদি আরবে কর্মরত। তাদের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার কালিরবাজার এলাকায়। শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ঘটনার পর এখন পর্যন্ত কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। Download PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ রাব্বির ৫ দিন পর মৃত্যু