সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘রেট্রো নস্টালজিয়া’: এআইয়ের হাত ধরে নব্বই আর আশির দশকে ফেরা প্রকাশিত: ৯:৪৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামের নিউজফিডে স্ক্রল করতেই চোখে পড়ছে আশির দশকের এসিড-ওয়াশ ডেনিম জ্যাকেট, চোখের কোণে বোল্ড আইলাইনার, আর মাথায় বাউন্সি কোঁকড়ানো চুল। আবার কখনও সত্তরের দশকের ক্লাব বা রেট্রো গাড়ির সামনে দাঁড়ানো ছবি। ভালো করে খেয়াল করলেই দেখা যাবে—এগুলো বর্তমান সময়ের তরুণ-তরুণী কিংবা দম্পতিদের ছবি, যা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর জাদুতে বদলে গেছে রেট্রো লুকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ‘নস্টালজিয়া ফিল্টার’ ট্রেন্ডটি তুমুল জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছে। প্রযুক্তি আর পুরনো স্মৃতির অদ্ভুত এক মেলবন্ধনে মেতে উঠেছেন নেটিজেনরা। স্মৃতির অ্যালবামে নতুন মাত্রা সোশ্যাল মিডিয়ার এই ট্রেন্ডে কেবল একা ছবি তোলাই নয়, দম্পতিরাও মেতে উঠেছেন আশির কিংবা নব্বইয়ের দশকের জুটিদের রূপ ধারণ করতে। বাবা-মায়ের পুরনো অ্যালবামে দেখা সেই সাদাকালো বা হালকা কালচে-হলদে রঙের ছবির আবহে নিজেদের আবিষ্কার করছেন আজকের প্রজন্ম। এআই প্রযুক্তির সাহায্যে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নিজেদের ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন ঠিক রেখে পোশাক, চুল এবং পরিবেশকে বদলে ফেলা যাচ্ছে মুহূর্তেই। কেন এত জনপ্রিয়তা? বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি প্রজন্মের মধ্যেই তাদের আগে প্রজন্মের প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ বা ‘নস্টালজিয়া’ কাজ করে। আশির দশকের পপ কালচার, ভিন্টেজ ফ্যাশন, ক্যাসেট প্লেয়ার কিংবা ক্লাসিক গাড়ি—এসব উপাদান সব সময়ই এক ধরনের নস্টালজিক রোমান্টিকতা তৈরি করে। আজকের জেন-জি এবং মিলেনিয়ালরা যারা সেই সময়টা সরাসরি পাননি, তারা প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই সময়ে ‘ভ্রমণ’ করার সুযোগটা হাতছাড়া করতে চান না। আবার যারা আশির দশকে বেড়ে উঠেছেন, তারা নিজের তরুণ বয়সের অনুভূতির রূপরেখা নতুন করে দেখতে পেয়ে রোমাঞ্চিত হচ্ছেন। প্রযুক্তির হাত ধরে ফ্যাশনের পুনর্জন্ম ফ্যাশন সাইকেল বা চক্রাকারে ফ্যাশন ফিরে আসার কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এবার ফ্যাশন ফিরছে ভার্চুয়াল জগতে। অ্যাসিড-ওয়াশ জিন্স, বোম্বার জ্যাকেট, বড় চশমা, আর সিক্সটি-এইটিজ হেয়ারস্টাইল সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ফিরে এসেছে। এটি কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গই নয়, বরং পুরনো যুগের কালচারাল আইকনগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে পরিচিত করে তুলছে। প্রযুক্তির বিবর্তনে মানুষের বিনোদনের মাধ্যম দ্রুত পাল্টাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেখানে জটিল সব কাজ সহজ করে দিচ্ছে, সেখানে সাধারণ মানুষের কাছে এর সবচেয়ে আনন্দদায়ক ব্যবহার হয়ে উঠেছে স্মৃতির টাইম ট্রাভেল। সময়ের চাকা পেছনে ঘোরানো সম্ভব না হলেও, এআইয়ের এই রেট্রো ফিল্টারগুলো যেন ক্ষণেকের জন্য সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অ্যানালগ যুগের সেই নিখাদ অনুভূতির জগতে। Download PhotoCard SHARES বিনোদন বিষয়: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘রেট্রো নস্টালজিয়া’: এআইয়ের হাত ধরে নব্বই আর আশির দশকে ফেরা