এইচএসসি পরীক্ষায় কেমন করলেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা প্রকাশিত: ৫:১৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২৬ দেশের জার্সিতে তারা খেলার মাঠে লড়াই করেন, নিয়মিত অনুশীলন করেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত হন। এত ব্যস্ততার মধ্যেও থেমে থাকেনি তাদের পড়াশোনা। মাঠের কঠিন সূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চালিয়ে গেছেন পরীক্ষার প্রস্তুতিও। সেই চেষ্টার ফল মিলেছে উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর। হকি, ফুটবল, টেবিল টেনিস, ক্রিকেটসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। খেলোয়াড়দের মধ্যে হিমাদ্রী বড়ুয়া পেয়েছেন জিপিএ ৫.০০। হিমাদ্রীর যমজ বোন নিলাদ্রী বড়ুয়ার ফলও ভালো। তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৪.৮৩। দুজনই বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) শিক্ষার্থী এবং জাতীয় নারী হকি দলের সদস্য। পরীক্ষার আগে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকায় পড়াশোনার জন্য খুব বেশি সময় পাননি হিমাদ্রী ও নীলাদ্রি। তাই ফল নিয়ে প্রত্যাশাও ছিল সীমিত। তবে শেষ পর্যন্ত দারুণ সাফল্য পেয়ে আনন্দিত দুই বোন। একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে নিলাদ্রী বলেছেন, ‘ভালোভাবে প্র্যাকটিস করার জন্য সেভাবে পরীক্ষা দিতে পারিনি। বেশি কিছু আশা ছিল না, তারপরও ভালো লাগছে ফল দেখে।’ উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকার ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা হিমাদ্রীর, ‘ভালো লাগছে। এখন ঢাকাতে ভালো একটা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে চাই।’ এইচএসসিতে ভালো করেছেন টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমাও। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৪.৬৭। খই খই বলেন, ‘একসঙ্গে দুইটা (খেলাধুলা ও পড়াশোনা) চালানো আসলেই কঠিন ছিল। পরীক্ষার কারণে বড় দুটি গেমস মিস করেছি। তারপরও ফলটা অপ্রত্যাশিত ছিল। খুব ভালো লাগছে।’ এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছা খই খইয়ের। টেবিল টেনিসের জুনিয়র জাতীয় দলের চার খেলোয়াড় রেশমি তঞ্চঙ্গ্যা, ঐশী রহমান, নাফিস ইকবাল ও আবুল হাসেম হাসিবও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। ফুটবলের গোলরক্ষকদের ফলও আশাব্যঞ্জক। জাতীয় দলের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় ঐচ্ছিক বিষয়সহ পেয়েছেন জিপিএ ৪.৭১। অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন মানবিক বিভাগ থেকে পেয়েছেন করেছেন জিপিএ ৪.২৫। এ ছাড়া জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তার এবার ‘বি’ গ্রেড পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। গত বছর একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় এবার আবার পরীক্ষায় বসেছিলেন মারুফা। দ্বিতীয় চেষ্টায় সেই বাধা পেরিয়ে তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৩.১৭। এইচএসসি পরীক্ষায় খেলোয়াড়দের ফল হিমাদ্রি বড়ুয়া (হকি) : জিপিএ ৫.০০ নীলাদ্রি বড়ুয়া (হকি) : জিপিএ ৪.৮৩ মারুফা আক্তার (ক্রিকেট) : জিপিএ ৩.১৭ খই খই মারমা (টেবিল টেনিস) : জিপিএ ৪.৬৭ মেহেদী হাসান শ্রাবণ (ফুটবল) : জিপিএ ৪.৭১ ইসমাইল হোসেন মাহিন (ফুটবল) : জিপিএ ৪.২৫ আশিকুর রহমান (ফুটবল) : জিপিএ ৪.০৮ Download PhotoCard SHARES খেলাধুলা বিষয়: এইচএসসি পরীক্ষায় কেমন করলেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা
দেশের জার্সিতে তারা খেলার মাঠে লড়াই করেন, নিয়মিত অনুশীলন করেন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত হন। এত ব্যস্ততার মধ্যেও থেমে থাকেনি তাদের পড়াশোনা।
মাঠের কঠিন সূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চালিয়ে গেছেন পরীক্ষার প্রস্তুতিও। সেই চেষ্টার ফল মিলেছে উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর। হকি, ফুটবল, টেবিল টেনিস, ক্রিকেটসহ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। খেলোয়াড়দের মধ্যে হিমাদ্রী বড়ুয়া পেয়েছেন জিপিএ ৫.০০।
হিমাদ্রীর যমজ বোন নিলাদ্রী বড়ুয়ার ফলও ভালো। তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৪.৮৩। দুজনই বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) শিক্ষার্থী এবং জাতীয় নারী হকি দলের সদস্য। পরীক্ষার আগে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকায় পড়াশোনার জন্য খুব বেশি সময় পাননি হিমাদ্রী ও নীলাদ্রি।
তাই ফল নিয়ে প্রত্যাশাও ছিল সীমিত। তবে শেষ পর্যন্ত দারুণ সাফল্য পেয়ে আনন্দিত দুই বোন। একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে নিলাদ্রী বলেছেন, ‘ভালোভাবে প্র্যাকটিস করার জন্য সেভাবে পরীক্ষা দিতে পারিনি। বেশি কিছু আশা ছিল না, তারপরও ভালো লাগছে ফল দেখে।’ উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকার ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা হিমাদ্রীর, ‘ভালো লাগছে।
এখন ঢাকাতে ভালো একটা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে চাই।’ এইচএসসিতে ভালো করেছেন টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমাও। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৪.৬৭। খই খই বলেন, ‘একসঙ্গে দুইটা (খেলাধুলা ও পড়াশোনা) চালানো আসলেই কঠিন ছিল। পরীক্ষার কারণে বড় দুটি গেমস মিস করেছি। তারপরও ফলটা অপ্রত্যাশিত ছিল। খুব ভালো লাগছে।’ এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছা খই খইয়ের। টেবিল টেনিসের জুনিয়র জাতীয় দলের চার খেলোয়াড় রেশমি তঞ্চঙ্গ্যা, ঐশী রহমান, নাফিস ইকবাল ও আবুল হাসেম হাসিবও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। ফুটবলের গোলরক্ষকদের ফলও আশাব্যঞ্জক। জাতীয় দলের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় ঐচ্ছিক বিষয়সহ পেয়েছেন জিপিএ ৪.৭১। অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন মানবিক বিভাগ থেকে পেয়েছেন করেছেন জিপিএ ৪.২৫। এ ছাড়া জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তার এবার ‘বি’ গ্রেড পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। গত বছর একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় এবার আবার পরীক্ষায় বসেছিলেন মারুফা। দ্বিতীয় চেষ্টায় সেই বাধা পেরিয়ে তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৩.১৭। এইচএসসি পরীক্ষায় খেলোয়াড়দের ফল হিমাদ্রি বড়ুয়া (হকি) : জিপিএ ৫.০০ নীলাদ্রি বড়ুয়া (হকি) : জিপিএ ৪.৮৩ মারুফা আক্তার (ক্রিকেট) : জিপিএ ৩.১৭ খই খই মারমা (টেবিল টেনিস) : জিপিএ ৪.৬৭ মেহেদী হাসান শ্রাবণ (ফুটবল) : জিপিএ ৪.৭১ ইসমাইল হোসেন মাহিন (ফুটবল) : জিপিএ ৪.২৫ আশিকুর রহমান (ফুটবল) : জিপিএ ৪.০৮