এইচএসসি পরীক্ষা পাঁচ বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রাম বোর্ডে জিপিএ ৫ কমল চারগুণেরও বেশি প্রকাশিত: ৫:১৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২৬ উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে নেমেছে বড় ধস। ২০২২ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১২ হাজার ৬৭০ জন শিক্ষার্থী। পাঁচ বছরের ব্যবধানে এবার সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ২ হাজার ৯২৯ জনে। অর্থাৎ এ সময়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে চারগুণেরও বেশি। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। এক বছরের ব্যবধানে এবার জিপিএ-৫ কমেছে ৩ হাজার ১৬৮টি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গত পাঁচ বছরের ফলাফলে দেখা যায়, ২০২২ সালে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ। ২০২৩ সালে ৭৪ দশমিক ৪৫, ২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৩২, ২০২৫ সালে ৫২ দশমিক ৫৭ এবং চলতি বছর ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। জিপিএ-৫ কমার কারণ জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। গতবারের তুলনায় দশমিক ৫ শতাংশ পাসের হার কমলেও জিপিএ-৫ কমেছে অনেক বেশি। এর অন্যতম কারণ হিসেবে আমরা দেখছি, এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র ও অভিন্ন মূল্যায়ন হওয়ার কারণে জিপিএ-৫ কমেছে।’ ফলাফলে দেখা যায়, এবার এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ২২ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী। তবে গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা কম। ২০২৫ সালে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল ২৪ হাজার ৬৫৪ জন শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন। ছয়টি কলেজ থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ হাজার ৫৯৬ জন ছাত্রী এবং ১ হাজার ৩৩৩ জন ছাত্র। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫৪ দশমিক ১৪ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৮৩টি কলেজের মধ্যে তিনটি কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। কলেজগুলো হলো—মেরন সান কলেজ, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কক্সবাজারের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর মধ্যে মেরন সান কলেজ থেকে দুজন, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন এবং বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অন্যদিকে শতভাগ পাস করা ছয়টি কলেজ হলো—চট্টগ্রামের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ। জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি পাসের হার চট্টগ্রাম নগরে। সেখানে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায়, নগর বাদে, পাসের হার ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মহানগরসহ পুরো চট্টগ্রাম জেলায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। বোর্ডের আওতাধীন অন্য জেলাগুলোর মধ্যে কক্সবাজারে পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ, বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২, রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ এবং খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। Download PhotoCard SHARES শিক্ষা বিষয়: এইচএসসি পরীক্ষা পাঁচ বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রাম বোর্ডে জিপিএ ৫ কমল চারগুণেরও বেশি
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে দশমিক ৫০ শতাংশ।
তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে নেমেছে বড় ধস। ২০২২ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১২ হাজার ৬৭০ জন শিক্ষার্থী। পাঁচ বছরের ব্যবধানে এবার সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ২ হাজার ৯২৯ জনে। অর্থাৎ এ সময়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি কমেছে চারগুণেরও বেশি।
গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। এক বছরের ব্যবধানে এবার জিপিএ-৫ কমেছে ৩ হাজার ১৬৮টি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গত পাঁচ বছরের ফলাফলে দেখা যায়, ২০২২ সালে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ।
২০২৩ সালে ৭৪ দশমিক ৪৫, ২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৩২, ২০২৫ সালে ৫২ দশমিক ৫৭ এবং চলতি বছর ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। জিপিএ-৫ কমার কারণ জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। গতবারের তুলনায় দশমিক ৫ শতাংশ পাসের হার কমলেও জিপিএ-৫ কমেছে অনেক বেশি। এর অন্যতম কারণ হিসেবে আমরা দেখছি, এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র ও অভিন্ন মূল্যায়ন হওয়ার কারণে জিপিএ-৫ কমেছে।’ ফলাফলে দেখা যায়, এবার এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে ২২ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী।
তবে গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা কম। ২০২৫ সালে এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল ২৪ হাজার ৬৫৪ জন শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন। ছয়টি কলেজ থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ হাজার ৫৯৬ জন ছাত্রী এবং ১ হাজার ৩৩৩ জন ছাত্র। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫৪ দশমিক ১৪ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৮৩টি কলেজের মধ্যে তিনটি কলেজ থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। কলেজগুলো হলো—মেরন সান কলেজ, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং কক্সবাজারের বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর মধ্যে মেরন সান কলেজ থেকে দুজন, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন এবং বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অন্যদিকে শতভাগ পাস করা ছয়টি কলেজ হলো—চট্টগ্রামের বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কোয়ান্টাম কসমো স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ। জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি পাসের হার চট্টগ্রাম নগরে। সেখানে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায়, নগর বাদে, পাসের হার ৪৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মহানগরসহ পুরো চট্টগ্রাম জেলায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। বোর্ডের আওতাধীন অন্য জেলাগুলোর মধ্যে কক্সবাজারে পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ, বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২, রাঙামাটিতে ৩৩ দশমিক ২৪ এবং খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।